বর্ধনকুঠি
Bardhankuthi
গোবিন্দগঞ্জে পুরোনো জমিদারবাড়ির ধ্বংসাবশেষ। ভাঙা দালান আর পুরোনো পুকুর।
এক নজরে
- কোথায়
- গাইবান্ধা জেলা, রংপুর বিভাগ
- ভালো সময়
- শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)
- ঘুরতে লাগে
- মোটামুটি ১ ঘণ্টা
প্রতীকী ছবি: ছবিটা গাইবান্ধা জেলার, ঠিক এই জায়গার নয়। আপনার তোলা ছবি আছে? আমাদের জানান →
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বর্ধনকুঠি ছিল এক জমিদার পরিবারের বাসস্থান। বহু পুরুষ ধরে এ এলাকায় তাঁদের জমিদারির দাপট ছিল। গাছপালা আর পুকুরের মাঝে এখনো টিকে আছে ইটের দালান, দেয়াল আর একটা মন্দির। কোনোটা মোটামুটি দাঁড়িয়ে, কোনোটা প্রায় ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় কেউ কেউ বলেন, জায়গাটার ইতিহাস আরও অনেক পুরোনো। বগুড়া থেকে গাইবান্ধা যাওয়ার পথে নিরিবিলি একটু ঘুরে দেখার মতো জায়গা।
কীভাবে যাবেন
গোবিন্দগঞ্জ পড়েছে ঢাকা–রংপুর মহাসড়কের ওপর। শহর থেকে রিকশায় বর্ধনকুঠি চলে যান।
জেনে রাখুন
ভাঙাচোরা দেয়ালের আশপাশে সাবধানে পা ফেলুন।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
বর্ধনকুঠি কোথায়?
বর্ধনকুঠি গাইবান্ধা জেলায়, রংপুর বিভাগে। ঢাকা থেকে গাইবান্ধা সড়কপথে প্রায় ২৬০ কিলোমিটার।
বর্ধনকুঠি কীভাবে যাবেন?
গোবিন্দগঞ্জ পড়েছে ঢাকা–রংপুর মহাসড়কের ওপর। শহর থেকে রিকশায় বর্ধনকুঠি চলে যান।
বর্ধনকুঠি যাওয়ার ভালো সময় কখন?
যাওয়ার ভালো সময় শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)। ঘুরে দেখতে মোটামুটি ১ ঘণ্টা লাগে।
