
যশোর Jashore
খেজুর গুড়, ফুলের মাঠ আর কবির কপোতাক্ষ
দক্ষিণ‑পশ্চিমের সমতলে বাজারের শহর যশোর। শীতের খেজুর গুড়ের জন্য এর নাম সবখানে। গদখালীর ফুলের মাঠ থেকে দেশের বড় একটা অংশে ফুল যায়। কপোতাক্ষের পাড়ে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ছেলেবেলার বাড়ি দেখতে আসেন সাহিত্যপ্রেমীরা। আর যশোরের সূচিকাজ সারা দেশের মানুষ চেনে।
- খেজুর গুড়
- গদখালীর ফুলের মাঠ
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- যশোরের সূচিশিল্প
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা সাগরদাঁড়ি, মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি
Sagardari, Michael Madhusudan Dutt's homeবাংলার মহাকবির ছেলেবেলার বাড়ি। পাশেই কপোতাক্ষ, যে নদীকে নিয়ে তিনি লিখেছিলেন।
ঘোরার জায়গা গদখালীর ফুলের মাঠ
Gadkhali flower fieldsঝিকরগাছায় মাঠের পর মাঠ গোলাপ, গাঁদা আর গ্লাডিওলাস। দেশের ফুল ব্যবসার কেন্দ্র এটাই।
ঘোরার জায়গা চাঁচড়া শিবমন্দির
Chanchra Shiva Templeযশোর শহরের কিনারে সতেরো শতকের শেষ দিকের ইটের মন্দির, গায়ে সূক্ষ্ম পোড়ামাটির কাজ।
ঘোরার জায়গা বেনাপোল স্থলবন্দর ও সীমান্ত
Benapole Border and Land Portভারতের সঙ্গে দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত স্থলসীমান্ত। সন্ধ্যায় শূন্যরেখায় পতাকা নামানোর অনুষ্ঠান হয়।
ঘোরার জায়গা যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি
Jashore Institute Public Library১৮৫১ সালে গড়া দেশের সবচেয়ে পুরোনো পাবলিক লাইব্রেরি, যশোর শহরের পুরোনো সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা ঝাঁপা বাঁওড়
Jhanpa Baorমণিরামপুরের লম্বা বাঁওড়। গ্রামের মানুষের বানানো ভাসমান সেতু আর নৌকাবাইচের জন্য পরিচিত।
খাবার
খাবার যশোরের খেজুর গুড়
Jashore khejur gurখেজুরের রস জ্বাল দিয়ে বানানো শীতের গুড়। পাওয়া যায় তরল ঝোলা গুড় আর শক্ত পাটালি হিসেবে।
খাবার জামতলার রসগোল্লা
Jamtala rosogollaশার্শার জামতলায় রাস্তার পাশের নামকরা দোকানের নরম, রসে ভেজা রসগোল্লা।
খাবার জলযোগের লুচি-ডাল
Joljog's Luchi and Dal১৮৯৩ সাল থেকে চলা যশোরের এক খাবারের দোকানের ভোরের গরম লুচি আর ডাল।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৫০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,৮০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
হোটেলের নাম ও দাম (১টি)
- পর্যটন মোটেল বেনাপোল বেনাপোল, শার্শা
দামগুলো কোথা থেকে
ডেইলি স্টারের ডিসেম্বর ২০২৩ সালের গাইড বলছে, যশোর শহরের ভালো হোটেলগুলোতে (সিটি প্লাজা ইন্টারন্যাশনাল, হাসান ইন্টারন্যাশনাল, জাবির ইন্টারন্যাশনাল, আর.এস ইন্টারন্যাশনাল, শামস ইন্টারন্যাশনাল) আর সরকারি রেস্ট হাউসে রাতে ৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা লাগে। মাঝারি দাম পর্যটন মোটেল বেনাপোলের ২০২৬ সালের ভাড়া থেকে। ২০২৩ সালের পর শহরের ভাড়া কিছুটা বেড়ে থাকতে পারে।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৬০০–২,৬০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
- জলযোগ চৌরাস্তা, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন রোড (রেল রোড), কোতোয়ালি থানার পাশে, যশোর শহর
- লুচি · ৳৭/পিস
- ডাল · ৳১৫/প্লেট
- সবজি · ৳১৫/প্লেট
সাধারণ হোটেল ২০২৫ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- যশোরের খেজুর গুড় যশোরের আশপাশের সাপ্তাহিক গুড়ের হাটে, আর চৌগাছা ও বাঘারপাড়ার গ্রামের গাছিদের কাছে ভালো পাটালি কেজি আনুমানিক ৩০০–৫০০ টাকা
- জামতলার রসগোল্লা শার্শার জামতলা বাজারের মিষ্টির দোকানে একেকটা আনুমানিক ১৫–২৫ টাকা
- জলযোগের লুচি-ডাল জলযোগ, চৌরাস্তা, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন রোড (রেল রোড), কোতোয়ালি থানার পাশে, যশোর শহর লুচি প্রতিটি প্রায় ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা (২০২৫ সালের হিসাবে)
দামগুলো কোথা থেকে
সকালের নাশতা ধরা হয়েছে জলযোগের ২০২৫ সালের দাম থেকে (লুচি প্রতিটি ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা); বাকি খাবার দক্ষিণ-পশ্চিমের ২০২৩-২৫ সালের দাম থেকে ধরা, তাই নাশতার বাইরে তথ্য কম।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।
এই জেলার হাতের কাজ বা খাবার পাবেন আমাদের দোকানে।



