
ঝিনাইদহ Jhenaidah
বিশাল বটগাছ, পুরোনো মসজিদ আর গাজীর গল্প
দক্ষিণ‑পশ্চিমের সমতলে ঝিনাইদহ চাষবাসের জেলা। মাঠে কলা আর পান, পথের ধারে সারি সারি খেজুরগাছ। বারোবাজারে মাটি খুঁড়ে বেরিয়েছে সুলতানি আমলের কয়েকটা মসজিদ। একসময় এখানে জমজমাট বাণিজ্যের শহর ছিল, আর গাজী‑কালু‑চম্পাবতীর লোককাহিনিও এই মাটিকে ঘিরেই। কালীগঞ্জের কাছে আছে এক বটগাছ, যেটা ছড়াতে ছড়াতে কয়েক একর জমি দখল করে নিয়েছে।
- মল্লিকপুরের বটগাছ
- বারোবাজারের মসজিদ
- কালীগঞ্জের ল্যাংচা
- খেজুরের গুড়
ঘোরার জায়গা
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা মল্লিকপুরের বটগাছ
Mallikpur banyan treeকয়েকশো বছরের পুরোনো বটগাছ। ঝুরি নামতে নামতে কয়েক একর জুড়ে কয়েক ডজন কাণ্ডের একটা বাগান হয়ে গেছে।
ঘোরার জায়গা বারোবাজারের মসজিদসমূহ
Barobazar mosquesসুলতানি আমলের ইটের কয়েকটা মসজিদ, মাটি খুঁড়ে পাওয়া। গ্রামের পুকুরগুলোর ফাঁকে ফাঁকে ছড়িয়ে আছে।
ঘোরার জায়গা শৈলকুপা শাহী মসজিদ
Shailkupa Shahi Mosqueশৈলকুপায় কুমার নদের পাড়ে কয়েক গম্বুজের পুরোনো ইটের মসজিদ।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা নলডাঙ্গা রাজবাড়ি মন্দির কমপ্লেক্স
Naldanga Rajbari Temple Complexনলডাঙ্গার জমিদারদের বানানো সংস্কার করা মন্দিরগুচ্ছ। প্রায় তিনশো বছর তাঁরা এ এলাকা শাসন করেছেন।
খাবার
প্রতীকী ছবি খাবার কালীগঞ্জের ল্যাংচা
Kaliganj langchaরসে ডোবানো লম্বাটে, কালচে ভাজা মিষ্টি। কালীগঞ্জের দোকানে দুপুর না গড়াতেই শেষ হয়ে যায়।
খাবার ঝিনাইদহের খেজুর পাটালি
Jhenaidah patali gurখেজুরের গুড় জমিয়ে বানানো গোল পাটালি। শীতের পুরোটা সময় গ্রামের রান্নাঘরে তৈরি হয়।
খাবার মোল্লা হোটেলের গরুর মাংস ভুনা
Molla Hotel Beef Bhuna১৯৬৮ সাল থেকে চলা ঝিনাইদহের এক হোটেলের গরুর মাংস ভুনা। দোকান কখনো বন্ধ হয় না।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: ঝিনাইদহের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–২,২০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
- সুবল ল্যাংচা ফয়লের কলা রোড, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ
- ল্যাংচা (কেজিতে প্রায় ১১টি) · ৳১৪০/কেজি
সাধারণ হোটেল ২০২৩ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- কালীগঞ্জের ল্যাংচা কালীগঞ্জ বাজারের মিষ্টির দোকানে কেজিপ্রতি আনুমানিক ১৪০–২০০ টাকা
- ঝিনাইদহের খেজুর পাটালি কোটচাঁদপুর আর কালীগঞ্জের আশপাশের গ্রামের সাপ্তাহিক হাটে
- মোল্লা হোটেলের গরুর মাংস ভুনা মোল্লা হোটেল, হামদহ বাসস্ট্যান্ড, রেজাউল ফিলিং স্টেশনের কাছে, ঝিনাইদহ শহর
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: হামদহের মোল্লা হোটেল গরুর মাংস-ভাতের জন্য নামকরা, কিন্তু দাম কোথাও ছাপা হয়নি; একমাত্র পাওয়া দাম কালীগঞ্জের ল্যাংচার। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমের পাওয়া দাম থেকে: ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে কাছের পিরোজপুরের এক সস্তা হোটেলে মাছ বা মাংস দিয়ে খাওয়া ৮০-৮৫ টাকা, শহরের অন্য হোটেলে অন্তত ১০০-১৫০ টাকা; ২০২৫ সালে যশোরের জলযোগে লুচি ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা। পরে দাম যতটা বেড়েছে, সেটাও ধরা হয়েছে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



