ExploreBangladesh
English
ছবি: মোয়ায মাহমুদ · CC BY-SA 4.0

বাগেরহাট মানেই খান জাহান আলীর মসজিদের শহর। পনেরো শতকের এই শহরে পুকুর আর তালগাছের ফাঁকে ফাঁকে ইটের গম্বুজ, পুরোটা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায়। দক্ষিণে মোংলা আর শরণখোলা হয়ে ঢুকে পড়া যায় পূর্ব সুন্দরবনে। বেশির ভাগ ট্যুরে করমজল, কটকা আর কচিখালী থাকেই।

কীসের জন্য বিখ্যাত
  • ষাট গম্বুজ মসজিদ
  • খান জাহান আলীর মাজার
  • করমজল
  • কটকা ও কচিখালী
  • চিংড়ির ঘের

ঘোরার জায়গা

ষাট গম্বুজ মসজিদ ঘোরার জায়গা

ষাট গম্বুজ মসজিদ

Sixty Dome Mosque

পনেরো শতকের বিশাল ইটের নামাজঘর, বাগেরহাটের মসজিদ‑শহরের মূল আকর্ষণ।

খান জাহান আলীর মাজার ঘোরার জায়গা

খান জাহান আলীর মাজার

Tomb of Khan Jahan Ali

বাগেরহাটের প্রতিষ্ঠাতার গম্বুজওয়ালা মাজার, পাশের বড় দিঘিতে কুমির থাকে।

করমজল ঘোরার জায়গা

করমজল

Karamjal

সুন্দরবন ছুঁয়ে দেখার সবচেয়ে সহজ জায়গা: মোংলার কাছে কাঠের পথ, হরিণের বেষ্টনী আর কুমির প্রজনন কেন্দ্র।

কটকা ও কচিখালী ঘোরার জায়গা

কটকা ও কচিখালী

Katka and Kochikhali

সাগরঘেঁষা গহীন বনের অভয়ারণ্য। ঘাসবনে হরিণ চরে, কাদায় বাঘের পায়ের ছাপ।

নয় গম্বুজ মসজিদ ঘোরার জায়গা

নয় গম্বুজ মসজিদ

Nine Dome Mosque

ঠাকুর দীঘির পাড়ে নয়টা গম্বুজওয়ালা ছোট্ট মসজিদ, খানজাহান আলীর মাজার থেকে কয়েক কদম দূরে।

সিংগাইর মসজিদ ঘোরার জায়গা

সিংগাইর মসজিদ

Singair Mosque

ষাট গম্বুজ মসজিদের ঠিক রাস্তার ওপারে পোড়ামাটির কাজ করা এক গম্বুজের ইটের মসজিদ।

দুবলার চর ঘোরার জায়গা

দুবলার চর

Dublar Char

সুন্দরবনের একেবারে সাগরঘেঁষা জেলেদের মৌসুমি চর। অক্টোবর থেকে মার্চ পুরো চর ভরে থাকে শুঁটকির মাচায়।

খাবার

অচেনা জায়গা

ঐতিহ্য

২০২৬ সালের দাম রুমপ্রতি এক রাতের ভাড়া
সাধারণ হোটেল
৳৮০০–১,৮০০
ভালো হোটেল
৳২,৫০০–৩,৮০০
অভিজাত রিসোর্ট
তথ্য নেই

ভিড়ের সময়: সুন্দরবনের মৌসুমে (সেপ্টেম্বর–মার্চ) সপ্তাহান্তে মোংলার অল্প কয়েকটি হোটেল ভরে যায়।

হোটেলের নাম ও দাম (২টি)
এই জেলার ২টি হোটেলের রুম ধরে ভাড়া দেখুন →
দামগুলো কোথা থেকে

মাঝারি দাম পর্যটনের হোটেল পশুর (মোংলা) আর পর্যটন মোটেল ও ইয়ুথ ইনের (বাগেরহাট) ২০২৬ সালের ভাড়া থেকে; সস্তা হোটেলের দাম আনুমানিক, পর্যটনের ১,৮০০ টাকার নন-এসি সিঙ্গেল রুম ধরে।

দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।

কোথায় খাবেন, খরচ কত

আনুমানিক জনপ্রতি দিনে খাওয়ার খরচ
সাধারণ হোটেল ৳৩৮০
নাশতা ৳৬০দুপুর ৳১৩০রাত ৳১৫০চা‑নাশতা ৳৪০
ভালো রেস্টুরেন্ট ৳৬৯০
নাশতা ৳১২০দুপুর ৳২৩০রাত ৳২৬০চা‑নাশতা ৳৮০
অভিজাত তথ্য নেই

এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৮০০–২,৬০০

কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।

এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।

চেখে দেখুন

  • বাগদা চিংড়ি বাগেরহাট শহর আর মোংলার স্থানীয় হোটেলে আকারভেদে দাম আলাদা, কেজিপ্রতি মোটামুটি ৭০০–১২০০ টাকা
  • কাঁকড়া ভুনা মোংলা বন্দরের আশপাশের হোটেলে আর সুন্দরবনের ট্যুর নৌকায়
দামগুলো কোথা থেকে

তথ্য কম: বাগেরহাট বা মোংলার কোনো হোটেলের দাম পাওয়া যায়নি। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমের পাওয়া দাম থেকে: ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে কাছের পিরোজপুরের এক সস্তা হোটেলে মাছ বা মাংস দিয়ে খাওয়া ৮০-৮৫ টাকা, শহরের অন্য হোটেলে অন্তত ১০০-১৫০ টাকা; ২০২৫ সালে যশোরের জলযোগে লুচি ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা। পরে দাম যতটা বেড়েছে, সেটাও ধরা হয়েছে।

দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।

কাছের জেলা