
শেরপুর Sherpur
গারো পাহাড়ের কোলে গজনী আর তুলসীমালার ঘ্রাণ
শেরপুর গারো পাহাড়ের একেবারে পায়ের কাছে। উত্তরের সীমান্ত ধরে শালবনে ঢাকা টিলা, পাহাড়ি ছড়া আর আদিবাসী গ্রাম। ছুটির দিনে গজনী আর মধুটিলায় ভালোই ভিড় হয়। আর এখানকার সুগন্ধি তুলসীমালা চাল আর ছানার পায়েসের নাম জেলার বাইরেও অনেকে জানেন।
- গজনী অবকাশ কেন্দ্র
- মধুটিলা ইকোপার্ক
- তুলসীমালা চাল
- ছানার পায়েস
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা গজনী অবকাশ কেন্দ্র
Gajni Recreation Centreঝিনাইগাতীতে গারো পাহাড়ের কোলে বনঢাকা টিলা, লেক আর ওয়াচটাওয়ার। শেরপুরে বেড়াতে এলে সবাই আগে এখানেই যান।
ঘোরার জায়গা মধুটিলা ইকোপার্ক
Madhutila Eco Parkনালিতাবাড়ীর পাহাড়ে বনের ভেতর হাঁটার পথ, লেক আর ওয়াচটাওয়ার।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা রাজার পাহাড়
Rajar Paharজেলার সবচেয়ে উঁচু পাহাড়গুলোর একটা। চূড়াটা সমতল, ওপর থেকে চারপাশের অনেক দূর দেখা যায়।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা মাইসাহেবা জামে মসজিদ
Mai Saheba Jame Mosqueশেরপুর জেলার সবচেয়ে বড় মসজিদ, শহরের মাঝখানে। প্রায় আড়াইশো বছরের পুরোনো শুরু, সঙ্গে স্থানীয় এক কিংবদন্তি।
খাবার
খাবার শেরপুরের ছানার পায়েস
Sherpur Chhanar Payeshঘন মিষ্টি দুধে ছোট ছোট ছানার দানা। শেরপুরের পুরনো আর নামকরা মিষ্টি।
খাবার তুলসীমালা চাল
Tulshimala Riceছোট দানার সুগন্ধি চাল, জিআই স্বীকৃতি পাওয়া। পোলাও, পায়েস আর উৎসবের পিঠায় এর জুড়ি নেই।
খাবার শেরপুরের ডাইলের আমিত্তি
Sherpur Dailer Amittiমাষকলাইয়ের বাটা দিয়ে বানানো জিলাপির মতো প্যাঁচ, রসে ডোবানো। শেরপুরের ঘোষপট্টির দোকানে মেলে।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: শেরপুরের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৬৫০–২,২০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- শেরপুরের ছানার পায়েস শেরপুর শহরের মিষ্টির দোকানগুলো
- তুলসীমালা চাল শেরপুর শহরের চালের আড়ত আর দোকান
- শেরপুরের ডাইলের আমিত্তি শেরপুর শহরের ঘোষপট্টির মিষ্টির দোকান, যেমন দুর্গাচরণ, নন্দগোপাল আর শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভান্ডার দাম কম; ২০১৮ সালে কেজি ছিল ১২০–১৩০ টাকা
দামগুলো কোথা থেকে
এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে। শেরপুরের কোনো রেস্তোরাঁ বা মিষ্টির দোকানের দামসহ তালিকা পাইনি।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



