ExploreBangladesh
English
ছবি: Azim Khan Ronnie · CC BY-SA 4.0

যমুনা যেখানে পদ্মায় এসে মিশেছে, সেখানেই মানিকগঞ্জ। সমতল, উর্বর মাটি, সরিষার খেত আর নদীর ঘাট। ঢাকার কাছে গ্রামের মধ্যে সবচেয়ে জমকালো কিছু জমিদারবাড়ি রেখে গেছেন এখানকার জমিদারেরা। আর শীতের খেজুরের গুড়ের জন্য মানিকগঞ্জের নাম দেশজুড়ে।

কীসের জন্য বিখ্যাত
  • বালিয়াটি জমিদারবাড়ি
  • তেওতা জমিদারবাড়ি
  • হাজারি গুড়
  • পদ্মা–যমুনার মোহনা

ঘোরার জায়গা

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি ঘোরার জায়গা

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

Baliati Zamindar Bari

লবণ ব্যবসায়ী এক পরিবারের বানানো সারি সারি উঁচু, থামওয়ালা প্রাসাদ। এখন সংরক্ষিত জাদুঘর।

তেওতা জমিদার বাড়ি ঘোরার জায়গা

তেওতা জমিদার বাড়ি

Teota Zamindar Bari

যমুনার কাছে রং চটে যাওয়া এক জমিদারবাড়ি। উঠানে নয় চূড়ার উঁচু নবরত্ন মন্দির।

আরিচা ও যমুনার পাড়প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা

আরিচা ও যমুনার পাড়

Aricha and the Jamuna Riverside

পুরোনো ফেরিঘাটের এলাকা, যেখানে যমুনা গিয়ে পড়েছে পদ্মায়। মাথার ওপর বিশাল আকাশ, সামনে চওড়া বালুচর।

মাচাইন শাহী মসজিদ ঘোরার জায়গা

মাচাইন শাহী মসজিদ

Machain Shahi Mosque

ইছামতির পাড়ে ১৫০১ সালের সুলতানি আমলের তিন গম্বুজ মসজিদ। পাশেই শাহ রুস্তম বোগদাদীর মাজার।

বেতিলা জমিদার বাড়িপ্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা

বেতিলা জমিদার বাড়ি

Betila Zamindar Bari

বেতিলা খালের পাড়ে এক বণিক‑জমিদারের পুরোনো বড় বাড়ি। লোকে বলে সাতু বাবুর বাড়ি।

খাবার

অচেনা জায়গা

ঐতিহ্য

আনুমানিক রুমপ্রতি এক রাতের ভাড়া
সাধারণ হোটেল
৳১,০০০–২,৫০০
ভালো হোটেল
৳২,৫০০–১০,০০০
অভিজাত রিসোর্ট
৳১০,০০০–২০,০০০

এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

ভিড়ের সময়: শুক্র-শনিবার আর সরকারি ছুটিতে রিসোর্টের ভাড়া বেশি।

দামগুলো কোথা থেকে

মাঝারি আর দামি স্তর প্রথম আলোর মে ২০২৬ সালের ঢাকার আশপাশের রিসোর্টের হিসাব থেকে (মাঝারি ও কম দামের রুম ২,৫০০–১০,০০০, প্রিমিয়াম ১০ হাজারের বেশি); মানিকগঞ্জের আলাদা হোটেলের দাম পাওয়া যায়নি, শহরের আবাসিক হোটেলের ভাড়া আনুমানিক।

দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।

কোথায় খাবেন, খরচ কত

আনুমানিক জনপ্রতি দিনে খাওয়ার খরচ
সাধারণ হোটেল ৳৩৬০
নাশতা ৳৬০দুপুর ৳১২০রাত ৳১৩০চা‑নাশতা ৳৫০
ভালো রেস্টুরেন্ট ৳৭৫০
নাশতা ৳১২০দুপুর ৳২৫০রাত ৳২৮০চা‑নাশতা ৳১০০
অভিজাত তথ্য নেই

এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৮৫০–৫,৭৫০

কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।

রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
  • নিজামের মিষ্টি কারখানা তেরশ্রী বাজার, ঘিওর; বিক্রয়কেন্দ্র ঘিওর পাঁচরাস্তা আর মানিকগঞ্জ শহরের খালপাড়
    • শুকনা মাওয়া · ৳৪০০/কেজি
    • শাহি চমচম · ৳৬০০/কেজি
    • ক্রিম চমচম · ৳৪০০/কেজি
    • শাহি কদম · ৳৫০০/কেজি
    সাধারণ হোটেল ২০২৩ সালের দাম · সূত্র

চেখে দেখুন

  • হাজারি গুড় হরিরামপুরের ঝিটকা এলাকায়, আর মানিকগঞ্জ শহরের শীতের মেলায়
  • পাটুরিয়া ঘাটের নদীর মাছ পাটুরিয়া ঘাটের হোটেলগুলোতে
  • ঘিওরের নিজামের মিষ্টি ঘিওরের তেরশ্রী বাজারে নিজামের মিষ্টির দোকান, ঘিওর পাঁচ রাস্তা আর মানিকগঞ্জ শহরের খালপাড়ের বিক্রয়কেন্দ্র মিষ্টিভেদে কেজি মোটামুটি ৪০০–৬০০ টাকা (২০২৩ সালের দাম)
দামগুলো কোথা থেকে

এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে।

দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।

কাছের জেলা