ExploreBangladesh
English

লালমনিরহাট Lalmonirhat

ছিটমহলের গল্প, তিনবিঘা করিডোর আর তিস্তার চর

ছবি: Shafiul Islam Shaikot · CC BY 4.0

তিস্তার পাড় ধরে উত্তরে সরু হয়ে উঠে গেছে সীমান্তের জেলা লালমনিরহাট। একসময় এখানে ছিটমহলের ছড়াছড়ি ছিল, ২০১৫ সালে সেগুলো ভারতের সঙ্গে বিনিময় হয়। লোকে এই জেলাকে চেনে তিনবিঘা করিডোর আর দহগ্রামের জন্য। আছে বুড়িমারী স্থলবন্দর, আর ফাঁকে ফাঁকে নিরিবিলি পুরোনো জমিদারবাড়ি।

কীসের জন্য বিখ্যাত
  • তিনবিঘা করিডোর
  • দহগ্রাম–আঙ্গরপোতা
  • বুড়িমারী স্থলবন্দর
  • তিস্তা নদী
  • রেলের পুরোনো ঐতিহ্য

ঘোরার জায়গা

তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম ঘোরার জায়গা

তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম

Tin Bigha Corridor and Dahagram

ভারতের ছোট্ট এক ফালি জমি, এটা দিয়েই দহগ্রাম–আঙ্গরপোতা জুড়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে।

বুড়িমারী স্থলবন্দর ঘোরার জায়গা

বুড়িমারী স্থলবন্দর

Burimari Land Port

উত্তরের ব্যস্ত সীমান্ত পারাপার। দার্জিলিং বা ভুটান যাওয়ার লোকজন এখান দিয়েই ভারতে ঢোকেন।

কাকিনা জমিদার বাড়ি ঘোরার জায়গা

কাকিনা জমিদার বাড়ি

Kakina Zamindar Bari

পাটগ্রামের দিকে যাওয়ার পথে পুরোনো এক জমিদারির ভাঙা চিহ্ন।

হারানো মসজিদ ঘোরার জায়গা

হারানো মসজিদ

Harano Masjid (the 'Lost Mosque'), Ramdas

লালমনিরহাট শহরের কাছে ছোট্ট এক মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। এখানে পাওয়া শিলালিপিতে লেখা ৬৯ হিজরি, তা নিয়েই যত আলোচনা।

তিস্তা রেল ও সড়ক সেতু ঘোরার জায়গা

তিস্তা রেল ও সড়ক সেতু

Teesta Rail and Road Bridges

কাউনিয়া আর লালমনিরহাটের মাঝে চওড়া তিস্তার ওপর পাশাপাশি দুটো সেতু। সূর্যাস্ত দেখার প্রিয় জায়গা।

সিন্দুরমতি দিঘি ঘোরার জায়গা

সিন্দুরমতি দিঘি

Sindurmati Dighi

লালমনিরহাট‑কুড়িগ্রাম সীমানায় হিন্দুদের পবিত্র দিঘি। রাম নবমীর মেলায় হাজারো মানুষ এখানে স্নান করেন।

খাবার

অচেনা জায়গা

ঐতিহ্য

আনুমানিক রুমপ্রতি এক রাতের ভাড়া
সাধারণ হোটেল
৳৬০০–১,২০০
ভালো হোটেল
৳১,২০০–২,৫০০
অভিজাত রিসোর্ট
তথ্য নেই

এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

দামগুলো কোথা থেকে

সস্তা হোটেলের দাম জেলা পোর্টালে নর্থ বেঙ্গল গেস্ট হাউসের দেওয়া ভাড়া থেকে (নন-এসি ৮০০, এসি সিঙ্গেল/ডাবল ১,২০০; তারিখ নেই); মাঝারি স্তরটা আনুমানিক।

দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।

কোথায় খাবেন, খরচ কত

আনুমানিক জনপ্রতি দিনে খাওয়ার খরচ
সাধারণ হোটেল ৳৩৮০
নাশতা ৳৬০দুপুর ৳১৩০রাত ৳১৫০চা‑নাশতা ৳৪০
ভালো রেস্টুরেন্ট ৳৬৭০
নাশতা ৳১২০দুপুর ৳২২০রাত ৳২৫০চা‑নাশতা ৳৮০
অভিজাত তথ্য নেই

এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–১,৯০০

কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।

রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
  • প্রদীপ মিষ্টান্ন ভান্ডার গোশালা বাজার, লালমনিরহাট শহর
    • মিষ্টি (সবচেয়ে কম দামেরটি) · ৳২৬০/কেজি
    • মিষ্টি (সবচেয়ে বেশি দামেরটি) · ৳৬০০/কেজি
    সাধারণ হোটেল ২০২৬ সালের দাম · সূত্র

চেখে দেখুন

  • পেলকা লালমনিরহাট শহরের ঘরোয়া হোটেলে, বা কোনো স্থানীয় পরিবারের বাড়িতে
  • কাউনের পায়েস বাড়ির রান্নাঘরে, আর লালমনিরহাট ও হাতীবান্ধার কিছু মিষ্টির দোকানে
  • প্রদীপ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মিষ্টি প্রদীপ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, গোশালা বাজার, লালমনিরহাট শহর মিষ্টিভেদে কেজি প্রায় ২৬০–৬০০ টাকা
দামগুলো কোথা থেকে

তথ্য কম: লালমনিরহাটে শুধু একটি মিষ্টির দোকানের দাম পাওয়া গেছে। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে উত্তরবঙ্গের ২০২৪-২৫ সালের পাওয়া দাম থেকে, যেমন গাইবান্ধার কাছে ভাত-গরুর মাংস-ভর্তার পুরো প্লেট ১৩০ টাকা, রাজশাহীতে কালাভুনা দিয়ে খাওয়া ১০০-১৫০ টাকা, নওগাঁয় বিরিয়ানি ১৮০-২০০ টাকা।

দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।

কাছের জেলা