
মুন্সীগঞ্জ Munshiganj
প্রাচীন বিক্রমপুর, পদ্মার ইলিশ আর ভাগ্যকুলের মিষ্টি
মুন্সীগঞ্জই সেই পুরোনো বিক্রমপুর। বৌদ্ধ পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্করের জন্ম এখানে, মধ্যযুগে বাংলার রাজাদের রাজধানীও ছিল এই মাটিতে। এখন লোকে মুন্সীগঞ্জকে চেনে পদ্মা সেতু, মাওয়ার ইলিশ ভাজা, মোগল আমলের দুর্গ আর মাঠের পর মাঠ আলুখেতের জন্য।
- বিক্রমপুরের ঐতিহ্য
- ইদ্রাকপুর দুর্গ
- মাওয়ার ইলিশ
- ভাগ্যকুলের মিষ্টি
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা ইদ্রাকপুর দুর্গ
Idrakpur Fortমুন্সীগঞ্জ শহরের ভেতর ছোট্ট এক মোগল জলদুর্গ। কামান বসানোর জন্য আছে উঁচু গোল মঞ্চ।
ঘোরার জায়গা মাওয়া ও পদ্মা সেতু
Mawa and the Padma Bridgeনদীর পাড় থেকে লম্বা পদ্মা সেতু আর বিশাল পদ্মার দৃশ্য। পাড়েই ইলিশের হোটেল।
ঘোরার জায়গা সোনারং জোড়া মঠ
Sonarang Twin Templesটঙ্গিবাড়ীতে গ্রামের পুকুরপাড়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে উনিশ শতকের দুটো উঁচু মঠ।
ঘোরার জায়গা বাবা আদম শহীদ মসজিদ
Baba Adam's Mosqueরামপালে ১৪৮৩ সালের ছয় গম্বুজের ইটের মসজিদ। ভেতরে কালো ব্যাসল্ট পাথরের থাম, কাছেই বাবা আদম শহীদের মাজার।
ঘোরার জায়গা জগদীশচন্দ্র বসু কমপ্লেক্স, রাঢ়ীখাল
Jagadish Chandra Bose Complex, Rarikhalবিক্রমপুরে বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর পৈতৃক ভিটা। এখন পুকুর, স্কুল আর ছোট একটা স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে সবুজ চত্বর।
খাবার
খাবার মাওয়ার ইলিশ ভাজা
Mawa Ilish Bhajaমুচমুচে পদ্মার ইলিশ ভাজা, গরম ভাত, ভাজা ডিম আর এক চামচ ভাজার তেল।
খাবার ভাগ্যকুলের মিষ্টি
Bhagyakul Sweetsশ্রীনগরের ভাগ্যকুলের ঘন দুধের মিষ্টি। বিক্রমপুরে ভালো মিষ্টি মানেই এই নাম।
খাবার মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর
Munshiganj Patkhirদুধ ঘন করে পাতায় মোড়া পাত্রে জমানো ক্ষীর। বিক্রমপুরের এই মিষ্টি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে।
খাবার লৌহজংয়ের রসগোল্লা
Louhajang Rosogollaলৌহজংয়ের বাজারে কড়াই থেকে সদ্য তোলা গরম, নরম দুধেল রসগোল্লা।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳১,০০০–২,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,৫০০–১০,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- ৳১০,০০০–২০,০০০
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
ভিড়ের সময়: শুক্র-শনিবার আর সরকারি ছুটিতে রিসোর্টের ভাড়া বেশি।
দামগুলো কোথা থেকে
মাঝারি আর দামি স্তর প্রথম আলোর মে ২০২৬ সালের ঢাকার আশপাশের রিসোর্টের হিসাব থেকে (মাঝারি ও কম দামের রুম ২,৫০০–১০,০০০, প্রিমিয়াম ১০ হাজারের বেশি); মুন্সীগঞ্জের আলাদা হোটেলের দাম পাওয়া যায়নি, শহরের আবাসিক হোটেলের ভাড়া আনুমানিক।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৯০০–৬,২০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
- নিরিবিলি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট মাওয়া ঘাট, লৌহজং
- ইলিশ ভাজা, আকারভেদে · ৳১০০/পিস
- নিজে বেছে নেওয়া বড় ইলিশ, পুরোটা ভাজা · ৳১,১৫০/পিস
- ৪-৫ জনের ইলিশ প্যাকেজ · ৳২,৫০০/ফুল
ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৫ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- মাওয়ার ইলিশ ভাজা মাওয়া ঘাটে নদীর ধারের হোটেলগুলোতে দাম ধরা হয় প্রতি পিস বা পুরো মাছ হিসেবে, আগে জিজ্ঞেস করে নিন
- ভাগ্যকুলের মিষ্টি শ্রীনগরের ভাগ্যকুল বাজারের মিষ্টির দোকানে
- মুন্সীগঞ্জের পাতক্ষীর সিরাজদিখানের কারিগর আর হাটবাজার, মুন্সীগঞ্জ শহরের মিষ্টির দোকান
- লৌহজংয়ের রসগোল্লা লৌহজংয়ের হলদিয়া বাজারে শ্রী দুর্গা মিষ্টান্ন ভান্ডার, পুরোনো মাওয়া ঘাট থেকে ১০–১৫ মিনিটের পথ
দামগুলো কোথা থেকে
সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬)। মাঝারি হিসাবটা মাওয়া ঘাটে ইলিশ দিয়ে খাওয়ার খরচ ধরে; ২০২৫ সালে ৪-৫ জনের এক বেলা খেতে মোটামুটি ২,০০০-২,৫০০ টাকা লেগেছে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



