
লক্ষ্মীপুর Lakshmipur
মেঘনার পাড়, জমিদারবাড়ির ভাঙা দেয়াল আর মহিষের দই
নিচের মেঘনার পুব পাড়ে লক্ষ্মীপুর। গ্রামজুড়ে সুপারির বাগান আর নারকেলগাছ, মাঠে সয়াবিনের খেত। রামগতিতে নদীর পাড়ের সৈকতে বিকেল হলেই লোকে ভিড় জমায়। পুরোনো জমিদারবাড়ি আর মসজিদগুলো মনে করিয়ে দেয়, একসময় এ অঞ্চলের বেশ রমরমা ছিল। আর এখানে এক বাটি টক মহিষের দই না হলে কোনো ভোজই শেষ হয় না।
- রামগতির মহিষের দই
- আলেকজান্ডার মেঘনা বিচ
- সুপারি আর নারকেল
- সয়াবিনের খেত
- দালাল বাজার জমিদার বাড়ি
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা আলেকজান্ডার মেঘনা বিচ
Alexander Meghna Beachরামগতিতে মেঘনার পাড়ে নদীর সৈকত। নদী এখানে এত চওড়া যে দেখে সাগর মনে হয়।
ঘোরার জায়গা দালাল বাজার জমিদার বাড়ি
Dalal Bazar Zamindar Bariজমিদারবাড়ির ভাঙাচোরা ধ্বংসাবশেষ, থমথমে একটা ভাব। ভেতরে এখন ছোট একটা প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা রায়পুরের জ্বীনের মসজিদ
Raipur Jinn Mosqueরায়পুর শহরের কাছে উনিশ শতকের এক মসজিদ। লোকে বলে, জ্বীনেরা এটা বানিয়েছিল।
ঘোরার জায়গা মজু চৌধুরীর হাট
Majhu Chowdhury Hatলক্ষ্মীপুরের দক্ষিণ‑পশ্চিমে মেঘনার পাড়ের ব্যস্ত ঘাট আর হাট। এখান থেকে ভোলার লঞ্চ ছাড়ে, বিশাল নদীতে সূর্য ডোবে।
খাবার
খাবার রামগতির মহিষের দই
Ramgati Buffalo Curdমেঘনার চরের মহিষের দুধে পাতা ঘন, টক দই। মাটির পাত্রে বিক্রি হয়, পুরো উপকূলে এর কদর।
প্রতীকী ছবি খাবার লক্ষ্মীপুরের সুপারি
Betel Nut (Supari)গ্রামের পর গ্রাম লম্বা সুপারিগাছের সারি। দেশের সুপারির বড় জোগান আসে লক্ষ্মীপুর থেকেই।
খাবার লক্ষ্মীপুরের মেঘনার ইলিশ
Lakshmipur Meghna Hilsaলক্ষ্মীপুরের মেঘনার প্রায় ১০০ কিলোমিটার জুড়ে ধরা ইলিশ। নদীর পাড়ের মাছঘাটে নৌকা থেকেই বিক্রি হয়।
খাবার লক্ষ্মীপুরের নারকেল ও ডাব
Lakshmipur Coconut and Daabলক্ষ্মীপুর নারকেলের জেলা। প্রায় প্রতিটা বাড়িতে নারকেলগাছ, ডাব আর নারকেলের পিঠা সবখানে।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: লক্ষ্মীপুরের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–২,৩০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- রামগতির মহিষের দই রামগতি, কমলনগর আর লক্ষ্মীপুর শহরের বাজারে কেজি মোটামুটি ১২০–২০০ টাকা
- লক্ষ্মীপুরের সুপারি লক্ষ্মীপুর শহর আর রায়পুরের পাইকারি হাটে
- লক্ষ্মীপুরের মেঘনার ইলিশ নদীর পাড়ের মাছঘাট, যেমন মজুচৌধুরীর হাট, মতিরহাট, খাসেরহাট (রায়পুর) আর চর আলেকজান্ডার (রামগতি)
- লক্ষ্মীপুরের নারকেল ও ডাব লক্ষ্মীপুর শহর আর সদর উপজেলার হাটবাজারের ডাব‑নারকেলের দোকান
দামগুলো কোথা থেকে
এটা আন্দাজ। লক্ষ্মীপুরের খাবারের তারিখসহ দাম পাওয়া যায়নি, তাই কুমিল্লা শহরের ২০২৩ সালের হোটেলের দাম আর আশপাশের জেলার হিসাব ধরা হয়েছে। দাম মিলেছে শুধু রামগতির মহিষের দইয়ের, কেজি ১২০-১৫০ টাকা (২০২২), জেলার হাটবাজারে বিক্রি হয়।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।




