
নারায়ণগঞ্জ Narayanganj
বাংলার পুরোনো রাজধানী আর জামদানির তাঁত
নারায়ণগঞ্জ শীতলক্ষ্যার ধারের নদীবন্দর শহর। শহর পেরোলেই সোনারগাঁও, একসময় স্বাধীন বাংলার রাজধানী ছিল এখানে। পানাম নগরের ফাঁকা পড়ে থাকা বণিকদের বাড়ি, নদীর ধারে মোগল আমলের দুর্গ আর জামদানি তাঁতিদের গ্রাম। ঢাকা থেকে সকালে বেরিয়ে সন্ধ্যায় ফেরার মতো একটা জমজমাট দিন কাটানো যায়।
- পানাম নগর
- সোনারগাঁও
- জামদানি বুনন
- নদীর ধারের মোগল দুর্গ
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা পানাম নগর
Panam Nagarসোনারগাঁওয়ে একটাই রাস্তা, দুই পাশে উনিশ শতকের জীর্ণ বণিকবাড়ি। মনে হয় সময় এখানে থেমে আছে।
ঘোরার জায়গা লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, সোনারগাঁও
Sonargaon Folk Arts and Crafts Museumপুরোনো জমিদারবাড়িতে জাদুঘর। চারপাশে খোলা মাঠ আর লেক, ভেতরে বাংলার কারুশিল্প আর লোকজ জিনিসের ভান্ডার।
ঘোরার জায়গা হাজীগঞ্জ দুর্গ
Hajiganj Fortশীতলক্ষ্যার পাড়ে মোগল আমলের জলদুর্গ। নদীপথে ঢাকায় ঢোকার মুখ পাহারা দিত।
ঘোরার জায়গা সোনাকান্দা দুর্গ
Sonakanda Fortশীতলক্ষ্যার পাড়ে মুঘল আমলের জলদুর্গ। মোটা দেয়াল আর কামান বসানোর বিশাল গোল মঞ্চ, বানানো হয়েছিল জলদস্যু ঠেকাতে।
ঘোরার জায়গা লাঙ্গলবন্দ
Langalbandhপুরোনো ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে হিন্দুদের তীর্থস্থান। চৈত্রের অষ্টমী স্নানে এখানে লাখো মানুষ আসেন।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা কদম রসুল দরগাহ, নবীগঞ্জ
Kadam Rasul Dargah, Nabiganjনারায়ণগঞ্জের ওপারে, শীতলক্ষ্যার পাড়ে দরগাহ। এখানে একটা পাথর আছে, যাতে নবীজির পায়ের ছাপ আছে বলে বিশ্বাস।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম, বারদী
Baba Lokenath Brahmachari Ashram, Barodiসোনারগাঁওয়ের বারদীতে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম। এখানেই তিনি থাকতেন, এখানেই দেহ রাখেন। হিন্দুদের বড় তীর্থস্থান।
খাবার
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳১,০০০–২,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,৫০০–১০,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- ৳১০,০০০–২০,০০০
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
ভিড়ের সময়: শুক্র-শনিবার আর সরকারি ছুটিতে রিসোর্টের ভাড়া বেশি।
দামগুলো কোথা থেকে
মাঝারি আর দামি স্তর প্রথম আলোর মে ২০২৬ সালের ঢাকার আশপাশের রিসোর্টের হিসাব থেকে (মাঝারি ও কম দামের রুম ২,৫০০–১০,০০০, প্রিমিয়াম ১০ হাজারের বেশি); নারায়ণগঞ্জের আলাদা হোটেলের দাম পাওয়া যায়নি, শহরের আবাসিক হোটেলের ভাড়া আনুমানিক।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৯০০–৫,৮৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (২টি)
- কাচ্চি ভাই নারায়ণগঞ্জ শহর আর সিদ্ধিরগঞ্জ শাখা
- বাসমতি কাচ্চি · ৳৩৩০/প্লেট
- স্পেশাল খাসির তেহারি · ৳২৭০/প্লেট
- সাদা পোলাও, মুরগির রোস্ট আর বোরহানি · ৳৩২০/প্লেট
- বোরহানি · ৳৮০/গ্লাস
ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৬ সালের দাম · সূত্র - নীলা মার্কেটের রাতের খাবারের দোকান নীলা মার্কেট, রূপগঞ্জ (কুড়িল-ভুলতা সড়ক)
- হাঁস বা অন্য মাংস (২৫০-৩০০ টাকা) · ৳২৫০/প্লেট
- চিতই পিঠা বা রুমালি রুটি · ৳২০/পিস
- তন্দুরি চা · ৳৫০/কাপ
- স্পেশাল মালাই চা · ৳৭০/কাপ
ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৫ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- সিদ্ধিরগঞ্জের দই ও কাঁচা ছানা সিদ্ধিরগঞ্জ বাজারে
দামগুলো কোথা থেকে
এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে। নারায়ণগঞ্জ শহর বৃহত্তর ঢাকারই অংশ, দামও প্রায় ঢাকার মতো।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।
এই জেলার হাতের কাজ বা খাবার পাবেন আমাদের দোকানে।



