
গাইবান্ধা Gaibandha
ব্রহ্মপুত্রের চর, নদীর বাঁধ আর রসমঞ্জরী
গাইবান্ধার এক পাশে ব্রহ্মপুত্র, আরেক পাশে তিস্তা। নদীর বুকে জেগে আছে বালুর চর, সেখানে মানুষের জীবন চলে বন্যার হিসাব মেনে। গাইবান্ধার নাম শুনলেই লোকে বলে রসমঞ্জরীর কথা, ঘন দুধের মিষ্টি। আর শহরের লোকজনের প্রিয় বেড়ানোর জায়গা বালাসী ঘাটের নদীতীরের বাঁধ।
- রসমঞ্জরী
- বালাসী ঘাট
- ব্রহ্মপুত্রের চর
- ফুলছড়ির মরিচ
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা বালাসী ঘাট
Balashi Ghatগাইবান্ধা শহরের কাছে নদীর ধারে লম্বা বাঁধ। সামনে ব্রহ্মপুত্র আর তার চরগুলো।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা বর্ধনকুঠি
Bardhankuthiগোবিন্দগঞ্জে পুরোনো জমিদারবাড়ির ধ্বংসাবশেষ। ভাঙা দালান আর পুরোনো পুকুর।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা ফুলছড়ির চর
Brahmaputra Chars of Phulchhariনৌকায় চেপে বালুর চরে ঘুরে আসা। নদীর সঙ্গে সঙ্গে এখানে গ্রাম, খেত, হাট সবই সরে যায়।
ঘোরার জায়গা জামালপুর শাহী মসজিদ
Jamalpur Shahi Mosque (Gayebi Mosque)সাদুল্লাপুরের গ্রামের মসজিদ। লোকে বলে, ঝড়ে এক বিশাল বটগাছ পড়ে যাওয়ার পর মসজিদটা আবার দেখা দেয়।
খাবার
প্রতীকী ছবি খাবার রসমঞ্জরী
Rosh Monjoriগাইবান্ধার নিজস্ব মিষ্টি। ছোট ছোট ছানার গুলি, ডোবানো ঘন জ্বাল দেওয়া দুধে।
খাবার ফুলছড়ির মরিচ
Phulchhari Red Chilliesচরের ঝাল লাল মরিচ। ফুলছড়ির জমজমাট মরিচের হাটে বেচাকেনা হয়।
প্রতীকী ছবি খাবার আটার ডাল
Atta Dalগাইবান্ধার পুরোনো দাওয়াতের পদ। আটা বা চালের গুঁড়ায় ঘন করা মাংস, খাওয়া হয় সাদা ভাতের সঙ্গে।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳১,০০০–২,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,৫০০–৫,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
দামগুলো কোথা থেকে
ডেইলি স্টার (জানুয়ারি ২০২৪): গাইবান্ধার ভালো থাকার জায়গাগুলোতে (সার্কিট হাউস, এসকেএস ইন, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র) রাতে ১ থেকে ৫ হাজার টাকা; কোন স্তরে কত, সেই ভাগটা আনুমানিক।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৯০০–৩,১৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (২টি)
চেখে দেখুন
- রসমঞ্জরী গাইবান্ধা শহরের কেন্দ্রের মিষ্টির দোকানে কেজি মোটামুটি ৪০০–৬০০ টাকা
- ফুলছড়ির মরিচ ফুলছড়ির মরিচের হাট আর গাইবান্ধা শহরের বাজারে
- আটার ডাল গাইবান্ধা শহরের হকার্স মার্কেটের বাংলা হোটেলে, যারা প্রথম এটা বিক্রি শুরু করে, আর শহরের অন্য হোটেলে
দামগুলো কোথা থেকে
গাইবান্ধা শহরের কাছের মেহেরাজ হোটেলের দাম ধরে (২০২৪ সালে ভাত, চার টুকরা গরুর মাংস আর ১০ রকম ভর্তা ১৩০ টাকা) আর বাঙলা হোটেলের আটার ডাল (২০২৩ সালে ১০০ টাকা) দেখে; মাঝারি ঘর উত্তরবঙ্গের অন্য দাম থেকে ধরা।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



