
নড়াইল Narail
চিত্রার পাড়ে এস এম সুলতানের শহর
চিত্রা নদীর ধারে ছোট্ট, সবুজ একটা শহর নড়াইল। শিল্পী এস এম সুলতান সারা জীবন এখানেই থেকেছেন। তাঁর আঁকা পেশিবহুল কৃষকেরা আমাদের ছবির জগৎটাই বদলে দিয়েছিল। চিত্রায় নৌকাবাইচ, ভেঙে পড়তে থাকা জমিদারবাড়ি আর শীতের খেজুর গুড়ের মিষ্টি মিলিয়েই নড়াইলের চেনা চেহারা।
- এস এম সুলতান
- চিত্রা নদীর নৌকাবাইচ
- নড়াইল জমিদারবাড়ি
- পাটালি গুড়
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা
S.M. Sultan Memorial Museumনদীর পাড়ে সুলতানের বাড়ি আর গ্যালারি। বাংলার কৃষককে তিনি এঁকেছিলেন দৈত্যের মতো শক্তিশালী করে।
ঘোরার জায়গা নড়াইল জমিদার বাড়ি
Narail Zamindar Bariযে জমিদার পরিবারের হাতে একসময় শহরটা ছিল, তাদের জীর্ণ বাড়িঘর আর পুকুর।
ঘোরার জায়গা চিত্রা নদীর পাড়
Chitra riverfrontসুলতানের ছবির সেই শান্ত, বাঁক খাওয়া নদী। সন্ধ্যায় শহরের ঘাট থেকে দেখতে সবচেয়ে ভালো লাগে।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা হাটবাড়িয়া জমিদারবাড়ি ও নাম ঘাট
Hatbaria Zamindar Bari and Nam Ghatচিত্রার পাড়ে নড়াইলের জমিদার পরিবারের ছোট শাখার যা বাকি আছে: একটা মন্দির, সিঁড়িওয়ালা ঘাট আর ভাঙা দেয়াল।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা জোড় বাংলা মন্দির, রায়গ্রাম
Jor Bangla Temple, Raigramলোহাগড়ায় নবগঙ্গার পাড়ে রাজা সীতারামের আমলের জোড়া‑চালের মন্দির, সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।
খাবার
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: নড়াইলের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–২,২০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- নড়াইলের নলেন পাটালি শীতে নড়াইল আর কালিয়ার আশপাশের পাটালির হাটে কেজি প্রায় ৩০০–৫০০ টাকা
- খেজুর রসের পায়েস নড়াইলের আশপাশের গ্রামের বাড়িতে আর শীতের মেলায়
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: নড়াইলের কোনো হোটেলের দাম সূত্রে পাওয়া যায়নি। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমের পাওয়া দাম থেকে: ২০২৩ সালের এক প্রতিবেদনে কাছের পিরোজপুরের এক সস্তা হোটেলে মাছ বা মাংস দিয়ে খাওয়া ৮০-৮৫ টাকা, শহরের অন্য হোটেলে অন্তত ১০০-১৫০ টাকা; ২০২৫ সালে যশোরের জলযোগে লুচি ৭ টাকা, ডাল বা সবজি প্লেট ১৫ টাকা। পরে দাম যতটা বেড়েছে, সেটাও ধরা হয়েছে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।




