
পাবনা Pabna
পদ্মার সেতু, ঈশ্বরদীর লিচু আর পুরোনো মন্দির
পাবনা পদ্মার উত্তর পাড়ে। এখানেই শতবছরের পুরোনো হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, পাশে নতুন লালন শাহ সেতু, দুটোই নদী পেরিয়ে কুষ্টিয়ায় গেছে। শহরে কয়েকটা সুন্দর পুরোনো মন্দির আছে, আছে মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের ছেলেবেলার বাড়িও। আর ঈশ্বরদী মানেই লিচুবাগান।
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
- ঈশ্বরদীর লিচু
- জোড়বাংলা মন্দির
- সুচিত্রা সেনের বাড়ি
- তাঁত আর হোসিয়ারি
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
Hardinge Bridgeপদ্মার ওপর ইস্পাতের বিশাল রেলসেতু। চালু হয় ১৯১৫ সালে, এখনো এর ওপর দিয়ে ট্রেন চলে।
ঘোরার জায়গা জোড়বাংলা মন্দির
Jor Bangla Temple (Gopinath Temple)উনিশ শতকের মাঝামাঝির মন্দির। দেখতে যেন গ্রামের দুটো চালাঘর পাশাপাশি জুড়ে দেওয়া, তবে পুরোটা ইটের।
ঘোরার জায়গা সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়ি
Suchitra Sen's Ancestral Houseবাংলা সিনেমার মহানায়িকার ছেলেবেলার বাড়ি, এখন ছোট একটা স্মৃতি জাদুঘর।
ঘোরার জায়গা তাড়াশ ভবন
Taras Bhabanপাবনা শহরের মাঝখানে তাড়াশের জমিদারদের শহুরে প্রাসাদ, সামনে থামওয়ালা জমকালো প্রবেশপথ।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা শীতলাই রাজবাড়ি
Shitlai Rajbariচাটমোহরের গ্রামে বড় এক দিঘির পাশে আঠারো শতকের জমিদারবাড়ি।
খাবার
খাবার ঈশ্বরদীর লিচু
Ishwardi Litchiঈশ্বরদীর বাগানের রসে ভরা লাল লিচু। দেশের লিচুর বড় এলাকাগুলোর একটা এই ঈশ্বরদী।
প্রতীকী ছবি খাবার পাবনার ঘি
Pabna Gheeপাবনা–সিরাজগঞ্জের দুধের এলাকার গ্রাম থেকে আসা সুগন্ধি ঘি।
খাবার কড়ি পালের দই
Kori Pal's Doiঈশ্বরদীর আড়মবাড়িয়া বাজারে সাইনবোর্ডহীন এক মিষ্টির দোকানের দই, যার জন্য লোকে আগে থেকে অর্ডার দেয়।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৮০০–২,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,০০০–৪,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: পাবনার হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধার মতো জেলা শহরের পাওয়া দাম আর পর্যটন মোটেলের ভাড়া দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৮০০–২,৬৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
- কড়ি পালের মিষ্টির দোকান আড়ামবাড়িয়া বাজার, ঈশ্বরদী, পাবনা (সাইনবোর্ড নেই)
- সাদা মিষ্টি · ৳২৬০/কেজি
সাধারণ হোটেল ২০২৬ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- ঈশ্বরদীর লিচু মে–জুনে ঈশ্বরদীর আশপাশের বাগানে আর রাস্তার ধারের লিচুর দোকানে শ' হিসেবে বিক্রি হয়। জাত আর সময়ভেদে ১০০টার দাম মোটামুটি ২৫০–৫০০ টাকা
- পাবনার ঘি পাবনা শহরের ভরসাযোগ্য মিষ্টি আর দুধের দোকানে খাঁটি ঘি কেজিপ্রতি মোটামুটি ১,৪০০–১,৮০০ টাকা
- কড়ি পালের দই কড়ি পালের মিষ্টির দোকান, আড়মবাড়িয়া বাজার, ঈশ্বরদী, পাবনা সাদা মিষ্টি কেজি প্রায় ২৬০ টাকা
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: পাবনায় শুধু একটি মিষ্টির দোকানের দাম পাওয়া গেছে। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে উত্তরবঙ্গের ২০২৪-২৫ সালের পাওয়া দাম থেকে, যেমন গাইবান্ধার কাছে ভাত-গরুর মাংস-ভর্তার পুরো প্লেট ১৩০ টাকা, রাজশাহীতে কালাভুনা দিয়ে খাওয়া ১০০-১৫০ টাকা, নওগাঁয় বিরিয়ানি ১৮০-২০০ টাকা।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



