বালিয়াডাঙ্গীর সূর্যপুরী আমগাছ
Giant Mango Tree of Baliadangi
একটাই পুরনো সূর্যপুরী আমগাছ, অথচ এর ডালপালা ছড়িয়ে আছে ছোটখাটো একটা বনের মতো।
এক নজরে
- কোথায়
- ঠাকুরগাঁও জেলা, রংপুর বিভাগ
- ঢাকা থেকে
- ঠাকুরগাঁও পর্যন্ত প্রায় ৪০৫ কিলোমিটার, বাসে বা গাড়িতে ১০–১৩ ঘণ্টা
- টিকিট / খরচ
- মালিকেরা সামান্য টাকা নেন (আনুমানিক)
- ভালো সময়
- শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ) আর গ্রীষ্ম (এপ্রিল–মে)
- ঘুরতে লাগে
- মোটামুটি ১ ঘণ্টা
সময় আর খরচ আমাদের প্ল্যানার আর সংগ্রহ করা দামের হিসাব। যাওয়ার আগে একবার মিলিয়ে নিন।
ভিডিওতে দেখুন জায়গাটা
সীমান্তের কাছে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার এক গ্রামে এই আমগাছ। লোকে বলে এর বয়স প্রায় দুইশ বছর। বিশাল ডালগুলো নুয়ে মাটিতে নেমে এসেছে, সেখানে আবার শিকড় গেড়েছে। এভাবে গাছটা চারদিকে ছড়াতে ছড়াতে অনেকখানি জমি দখল করে ফেলেছে। নিচ দিয়ে হাঁটলে মনে হবে সবুজ একটা বড় ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছেন। অনেকে একে এশিয়ার সবচেয়ে বড় আমগাছগুলোর একটা বলেন। গাছের মালিকেরা দেখতে আসা মানুষের কাছ থেকে সামান্য টাকা নেন।
কীভাবে যাবেন
ঠাকুরগাঁও থেকে বাসে বালিয়াডাঙ্গী। সেখান থেকে অটোতে হরিণমারী গ্রাম।
জেনে রাখুন
গাছভরা আম দেখতে চাইলে গ্রীষ্মে যান। গাছে উঠবেন না, ডাল ভাঙবেন না।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
বালিয়াডাঙ্গীর সূর্যপুরী আমগাছ কোথায়?
বালিয়াডাঙ্গীর সূর্যপুরী আমগাছ ঠাকুরগাঁও জেলায়, রংপুর বিভাগে। ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও সড়কপথে প্রায় ৪০৫ কিলোমিটার।
ঢাকা থেকে বালিয়াডাঙ্গীর সূর্যপুরী আমগাছ কীভাবে যাবেন?
আগে ঠাকুরগাঁও পৌঁছান, ঢাকা থেকে বাসে বা গাড়িতে মোটামুটি ১০–১৩ ঘণ্টা। এরপর: ঠাকুরগাঁও থেকে বাসে বালিয়াডাঙ্গী। সেখান থেকে অটোতে হরিণমারী গ্রাম।
বালিয়াডাঙ্গীর সূর্যপুরী আমগাছ ঘুরতে খরচ কত?
মালিকেরা সামান্য টাকা নেন (আনুমানিক)।
বালিয়াডাঙ্গীর সূর্যপুরী আমগাছ যাওয়ার ভালো সময় কখন?
যাওয়ার ভালো সময় শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ) আর গ্রীষ্ম (এপ্রিল–মে)। ঘুরে দেখতে মোটামুটি ১ ঘণ্টা লাগে।

