তাহখানা ও শাহ নিয়ামতুল্লাহর মাজার
Tahkhana and Shah Niamatullah's Tomb
বড় পুকুরের পাড়ে মোগল আমলের ঠান্ডা ঘর তাহখানা। পাশেই শাহ নিয়ামতুল্লাহর মাজার আর মসজিদ।
এক নজরে
- কোথায়
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, রাজশাহী বিভাগ
- ভালো সময়
- শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)
- ঘুরতে লাগে
- মোটামুটি ১ ঘণ্টা
প্রতীকী ছবি: ছবিটা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার, ঠিক এই জায়গার নয়। আপনার তোলা ছবি আছে? আমাদের জানান →
তাহখানা হলো বড় একটা পুকুরের ধারে দোতলা ইটের দালান। লোকমুখে শোনা যায়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বাংলার মোগল সুবাদার শাহ সুজা আর দরবেশ শাহ নিয়ামতুল্লাহ ওয়ালি। নিচতলার ঘরগুলো এমনভাবে বানানো যে পানির পাশে থেকে গরমেও ঠান্ডা থাকে। পাশেই দরবেশের গম্বুজওয়ালা মাজার আর তিন গম্বুজের একটা মসজিদ। মাজারে এখনো সারা দিন মানুষ আসে। গৌড় এলাকায় ঘুরতে গেলে এখানে একটু থামবেন, পুরো চত্বরটার একটা আলাদা আমেজ আছে।
কীভাবে যাবেন
শিবগঞ্জ উপজেলায়, ছোট সোনা মসজিদের কাছেই। এক স্থাপনা থেকে আরেকটায় রিকশা বা ভ্যানে যাওয়া যায়।
জেনে রাখুন
মাজারের আদব মেনে চলুন। যেখানে জুতা খুলতে বলা হয়, সেখানে খুলে রাখুন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
তাহখানা ও শাহ নিয়ামতুল্লাহর মাজার কোথায়?
তাহখানা ও শাহ নিয়ামতুল্লাহর মাজার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়, রাজশাহী বিভাগে। ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়কপথে প্রায় ৩১৫ কিলোমিটার।
তাহখানা ও শাহ নিয়ামতুল্লাহর মাজার কীভাবে যাবেন?
শিবগঞ্জ উপজেলায়, ছোট সোনা মসজিদের কাছেই। এক স্থাপনা থেকে আরেকটায় রিকশা বা ভ্যানে যাওয়া যায়।
তাহখানা ও শাহ নিয়ামতুল্লাহর মাজার যাওয়ার ভালো সময় কখন?
যাওয়ার ভালো সময় শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)। ঘুরে দেখতে মোটামুটি ১ ঘণ্টা লাগে।