পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি
Pakutia Zamindar Bari
নাগরপুরে ১৯১৫ সালের একই নকশার তিনটা প্রাসাদ। প্রতিটার মাথায় নারীমূর্তি, গ্রামের মধ্যে ধীরে ধীরে মলিন হচ্ছে।
ভিডিওতে দেখুন জায়গাটা
উনিশ শতকের শুরুতে কলকাতা থেকে আসেন ধনী ব্যবসায়ী রামকৃষ্ণ সাহা মণ্ডল। নাগরপুর থেকে তখন কলকাতায় স্টিমার চলত, সেই যোগাযোগেই পাকুটিয়ায় তাঁর জমিদারি শুরু। ১৯১৫ সালে প্রায় ১৫ একর জায়গায় পাশাপাশি একই নকশার তিনটা প্রাসাদ ওঠে, লোকে বলত তিন মহলা। প্রতিটা বাড়ির সামনের মাথায় লতাপাতা‑ফুলের কারুকাজের মাঝে দুটো নারীমূর্তি। দালানগুলো এখন জীর্ণ, কিছু অংশ ব্যবহার হয়। এত দূর পর্যন্ত খুব কম পর্যটকই আসেন।
কীভাবে যাবেন
টাঙ্গাইল শহর বা নাগরপুর থেকে সিএনজি বা অটোতে পাকুটিয়া। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থেকেও যাওয়া যায়।
জেনে রাখুন
নাগরপুর চৌধুরীবাড়ির সঙ্গে একসঙ্গে ঘুরে আসুন। দালানের কিছু অংশ এখনো ব্যবহার হয়, ভেতরে ঢোকার আগে জিজ্ঞেস করে নিন।
