দুবলার চর
Dublar Char
সুন্দরবনের একেবারে সাগরঘেঁষা জেলেদের মৌসুমি চর। অক্টোবর থেকে মার্চ পুরো চর ভরে থাকে শুঁটকির মাচায়।
এক নজরে
- কোথায়
- বাগেরহাট জেলা, খুলনা বিভাগ
- টিকিট / খরচ
- বন বিভাগের অনুমতি আর ফি লাগে, সাধারণত ট্যুর প্যাকেজের মধ্যেই ধরা থাকে
- ভালো সময়
- শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) আর হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর)
- ঘুরতে লাগে
- অন্তত ১ রাত থাকা ভালো
সুন্দরবন যেখানে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে, সেখানে ৬৬ বর্গকিলোমিটারের চর এই দুবলা। প্রতি বছর অক্টোবর থেকে মার্চ খুলনা, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার থেকে হাজার হাজার জেলে এসে আলোরকোল, মাঝের চর, নারকেলবাড়িয়ার মতো জায়গায় অস্থায়ী ঘর তোলেন। লইট্যা, ছুরি, চিংড়ি, রূপচাঁদা ধরে লম্বা বাঁশের মাচায় রোদে শুকান। সুন্দরবনে শুঁটকির সবচেয়ে বড় কারবার এখানেই। নভেম্বরে রাসমেলার সময় পুণ্যার্থীরা আসেন সাগরে স্নান করতে। পেছনে বন, সামনে খোলা সাগর আর মাঝখানে জেলেদের ব্যস্ত দিন, এমন দৃশ্য দেশের আর কোথাও পাবেন না।
কীভাবে যাবেন
শুধু নৌপথে যাওয়া যায়। খুলনা বা মোংলা থেকে লাইসেন্সধারী অপারেটরের কয়েক দিনের সুন্দরবন ট্যুরে উঠে পড়ুন, যেটা দুবলার চরে থামে (রাসমেলার সময় এমন ট্যুর বেশি থাকে)।
জেনে রাখুন
শুঁটকির গন্ধ বেশ কড়া, মেনে নিয়েই যান। কাজের মধ্যে থাকা মানুষের ছবি তোলার আগে জিজ্ঞেস করে নিন, আর গাইড যে পথ দেখান সেটুকুর মধ্যেই থাকুন।
বাগেরহাট জেলায় কোথায় থাকবেন
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
দুবলার চর কোথায়?
দুবলার চর বাগেরহাট জেলায়, খুলনা বিভাগে। ঢাকা থেকে বাগেরহাট সড়কপথে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার।
দুবলার চর কীভাবে যাবেন?
শুধু নৌপথে যাওয়া যায়। খুলনা বা মোংলা থেকে লাইসেন্সধারী অপারেটরের কয়েক দিনের সুন্দরবন ট্যুরে উঠে পড়ুন, যেটা দুবলার চরে থামে (রাসমেলার সময় এমন ট্যুর বেশি থাকে)।
দুবলার চর ঘুরতে খরচ কত?
বন বিভাগের অনুমতি আর ফি লাগে, সাধারণত ট্যুর প্যাকেজের মধ্যেই ধরা থাকে।
দুবলার চর যাওয়ার ভালো সময় কখন?
যাওয়ার ভালো সময় শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি) আর হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর)। হাতে অন্তত ১ রাত রাখুন।
