চলনবিল জাদুঘর
Chalan Beel Museum
চলনবিলের ইতিহাস নিয়ে গ্রামের ছোট্ট জাদুঘর। হাতে লেখা কোরআন, পুরোনো দলিল আর মুদ্রা।
প্রতীকী ছবি: ছবিটা নাটোর জেলার, ঠিক এই জায়গার নয়। ছবি: Nazmul Islam Babu · CC BY-SA 4.0 আপনার তোলা ছবি আছে? আমাদের জানান →
ভিডিওতে দেখুন জায়গাটা
১৯৭৮ সালে খুবজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একটা ঘরে চলনবিল জাদুঘরের শুরু। চলনবিল অঞ্চলের ইতিহাস বাঁচিয়ে রাখতে উদ্যোগটা নিয়েছিলেন অধ্যাপক এম এ হামিদ। ১৯৮৯ সালে এটা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় আসে। সংগ্রহে আছে তুলট কাগজে হাতে লেখা পুরোনো কোরআন, রানী ভবানীর হাতে লেখা বলে পরিচিত দলিল, কষ্টিপাথরের সূর্য আর বিষ্ণুমূর্তি, আর প্রায় নব্বইটা দেশের মুদ্রা। অযত্নে জাদুঘরটার দশা খারাপ, কিছু জিনিস মহাস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবু বিল অঞ্চলের অতীত দেখার এমন সুযোগ খুব কম।
কীভাবে যাবেন
নাটোর থেকে বাসে গুরুদাসপুর, তারপর অটোতে খুবজীপুর গ্রাম।
জেনে রাখুন
খোলার সময়ের ঠিক নেই, যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে জেনে নিন। বর্ষায় গেলে চলনবিলে নৌকাভ্রমণের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
